ঢাকা, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২

মুশফিককে ২০ জানুয়ারির দ্বিতীয় টেস্টেও খেলতে বারণ চিকিৎসকের

প্রকাশ: ২০১৭-০১-১৭ ১৬:৫৭:৩৪ || আপডেট: ২০১৭-০১-১৭ ২০:০৫:৪৬

মুশফিককে ২০ জানুয়ারির দ্বিতীয় টেস্টেও খেলতে বারণ চিকিৎসকের

স্পোর্টস ডেস্ক: বলের আঘাত মাথায় লাগার পর এক্স-রেতে মুশফিকুর রহিমের গুরুতর কিছু ধরা পড়ল না। বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক দ্রুত মাঠে ফিরে আবার ব্যাটিংয়ে নামতে চান। কিন্তু চিকিৎসকরা কড়া নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দিলেন। হাসপাতাল থেকে ফিরে আবার মাঠে নামার তো প্রশ্নই ওঠে না। আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু ক্রাইস্টচার্চের দ্বিতীয় টেস্টেও মুশফিককে খেলতে বারণ করে দিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। মাথায় এমন আঘাত পেলে তাৎক্ষণিক কোনো সমস্যা হয় না। তবে নিউজিল্যান্ডের চিকিৎসকরা এই ক্ষেত্রে অন্তত একমাস খেলাধুলা না করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। মুশফিকের জন্যও ওয়েলিংটন হাসপাতাল থেকে সে পরামর্শই দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ দলের ইংলিশ ফিজিও ডিন কনওয়ের এমন বক্তব্য, এসব ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের চিকিৎসকেরা অন্তত তিন থেকে চার সপ্তাহ না খেলার কথা বলেন। ইংল্যান্ডেও দুই থেকে তিন সপ্তাহের আগে মাঠে না নামার পরামর্শ দেওয়া হয়। সেদিক দিয়ে ক্রাইস্টচার্চে মুশফিকের খেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। মাঠে ফিরতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

ফিজিওর আশা, হায়দ্রাবাদে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ফিরতে পারবেন মুশফিক। তার আগে অবশ্য ওয়েলিংটন টেস্টেই পাওয়া মুশফিকের বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলের চোটও পুরোপুরি সারতে হবে। এ মুহূর্তে সেটাকেই বড় সমস্যা মনে করছেন ফিজিও, ‘ওর আঙুলের অবস্থাই বেশি খারাপ। সূক্ষ্ম যে চিড় ধরা পড়েছে, সেটা নতুন। এই চোট সারার জন্য আরও সময় দিতে হবে। ‘ এর আগে টিম সাউদির একটি শর্ট বাউন্সার বলে হেলমেটের পেছনে লেগে আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন মুশফিকুর রহিম। প্রথমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে প্রাথমিক চিকিৎসার সময় মুশফিকের সঙ্গে থাকা তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, বিপদের কিছু নেই।

দ্বিতীয় ইনিংসে ইমরুল কায়েসের আহত হওয়ার পর আহত শিবিরে মুশফিক। এ দিনে বাংলাদেশ ইনিংসের ৪২.৫ ওভারে টিম সাউদির ১৩৫ কিলোমিটার গতির একটি বলে বুঝে উঠতে না পারায় হেলমেটের পেছনে লেগে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কয়েক মিনিটের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাঠ থেকে ৩০০ মিটার দূরে ওয়েলিংটন হাসপাতালে নেওয়া হয়। মুশফিক চলতি সফরেই শুরুর দিকে ইনজুরির কারণে সীমিত ওভারের বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারেননি। পরে টেস্টে নামলেও আঙুলে আবারও চোট পান। তাই ব্যাটিং ছাড়া উইকেটরক্ষকের ভূমিকায় তাকে আর দেখা যায়নি। তবুও বাংলাদেশের হয়ে প্রথম ইনিংসে ১৫৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।