ঢাকা, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২

উখিয়া প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দূর্নীতি !

প্রকাশ: ২০১৭-০১-১২ ১৮:৫০:৪৪ || আপডেট: ২০১৭-০১-১৩ ১১:১৯:৫২

উখিয়া প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দূর্নীতি !
সিএসবি২৪ ডটকম::
সদ্য প্রকাশিত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপণী পরীক্ষার ফলাফলে উখিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে কৃতকার্য হয়েছে অর্পিতা বড়ুয়া অর্পি। তার পিতা সন্তোষ বড়ুয়া বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় চাকরি করেন। মা মিলকী প্রভা বড়ুয়া একজন গৃহীনি।

পরিতাপের বিষয় যে, অর্পিতা বড়ুয়া  অর্পি’র জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী প্রবেশ পত্র ঠিক থাকলেও সম্প্রতি প্রকাশিত ফলাফলে কর্তৃপক্ষের ভূলবশত: তার পিতা ও মাতার নামে সমেত্মাষ বড়ুয়া ও মিলকী বড়ুয়া হয়।

৬ষ্ট শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য পিতা ও মাতার নাম সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে ১২ জানুয়ারী (বৃহস্পতিবার) বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ নুরী বলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবরে আবেদনের প্রেক্ষিতে সহজেই ঠিক করা যাবে।

সকাল ১০টার দিকে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সমাধানের জন্য অফিস সহকারী বশির আহমদকে নির্দেশ দেন। দূর্নীতিবাজ বশির নানা অজুহাত দেখিয়ে অন্যায় ভাবে সংশোধনের জন্য ৭০০ টাকা দাবী করে। শিক্ষার্থীর পিতা-মাতা ঢাকায় অবস্থান করায় সংশোধনের জন্য যাওয়া খালাত ভাই রুকসেন বড়–য়া টাকার সংকটে বিপাকে পড়ে । সংশোধনের কাজে আসা রুকসেন প্রবাসী ও সৈনিক কিনা নানা প্রশ্ন করে বশির। সহসায় সংশোধনী কাজ করার জন্য টাকা ম্যানেজ করে দিলেও নানা তালবাহনায় বিকাল ৪টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় ভুক্তভোগীকে।

ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে রুকসেন বলেন, কেন তাদের ভুলের মাশুল দিতে হবে সাধারণ জনগণকে। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও টাকা দাবী। তাছাড়া সামান্য ৫/১০ দশ মিনিটের কাজে যদি পুরো দিন ব্যয় করতে হয়, দেশ কিভাবে সামনে এগিয়ে যাবে ? প্রজন্ম কি শিখবে ? তিনি আরও বলেন, এসব দূর্নীতি রুখঁতে সংশিষ্ট সকলের সচেতনতা ও আন্তরিকতা জরুরী।
/
অভিযুক্ত বশিরের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

জানতে চাইলে উখিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, এসব কাজে টাকা নেওয়ার কোন নিয়ম নেই।

একই অভিমত ব্যক্ত করেন রত্নাপালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু নোমান চৌধুরী।

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোকতার আহমদ বলেন, এ ধরণের টাকা নেওয়ার কোন বিধি বিধান নেই। তাছাড়া বিষয়টি আমি অবগত না।