ঢাকা, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২

রাঙামাটিতে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপন

প্রকাশ: ২০১৭-০১-০২ ১৭:১০:৫২ || আপডেট: ২০১৭-০১-০২ ১৭:১০:৫২

রাঙামাটিতে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপন
রাঙামাটি :: “সমাজসেবার উদ্ভাবন, সেবায় এবার ডিজিটালাইজেশন ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে রাঙামাটিতে বিভিন্ন কর্মসূচী মধ্য দিয়ে জাতীয় সমাজসেবা দিবস২০১৭ উদযাপন করা হয়েছে। জেলা সমাজসেবা অধিদফতর, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এর উদ্যোগে সোমবার ২জানুয়ারী সকালে এ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালীটি রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে গিয়ে আলোচনাসভা মিলিত হয়। র‌্যালীতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করে।

অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

সমাজকল্যাণ বিভাগের আহবায়ক ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য স্মৃতি বিকাশ ত্রিপুরার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে রাঙামাটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শফিউল সারোয়ার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক জসিম উদ্দিন বাবুল, মিন্টু মারমা উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম।

আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেন, অনগ্রসর, অসহায় নিগৃহীত ও বিপন্ন মানুষের কল্যানে সমাজসেবা বিভাগটি কাজ যাচ্ছে। আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত এ বিভাগটি এ জেলায় অনেক কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সমাজকল্যাণ বান্ধব সরকার। সরকারের রাজনৈতিক দর্শন হলো কল্যাণমুখী সেবা প্রদান করা। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার পার্বত্য জেলার জনগনের প্রতি খুবই আন্তরিক। তাই তিনি পার্বত্য মানুষের শান্তি, কল্যাণ ও উন্নয়নের কথা চিন্তা করে পার্বত্য চুক্তি করেছে এবং এই সমাজসেবা বিভাগটির মাধ্যমে এখানকার মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজের অবহেলিত মানুষের কল্যানে কাজ করছে। এক কথায় তিনি সমাজ তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের স্বপ্ন ২০২১ সালে এ দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত করা। তার এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে সমাজের প্রতিটি স্থরের মানুষেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান চেয়ারম্যান।

আলোচনাসভা শেষে রাঙামাটির বিভিন্ন উপজেলার প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের কার্ড এবং ক্যান্সার, কিডনী ও লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত ৩জন রোগীদেরকে ৫০হাজার টাকা করে, ১০জনকে ২০হাজার টাকা করে ক্ষুদ্র ঋণ এর চেক এবং দুঃস্থদের শীতবস্ত্র প্রদান করেন অতিথিরা। পরে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় শিল্পীরা অংশ গ্রহন করে।