ঢাকা, বুধবার, ২৫ মে ২০২২

ঈদগাঁওতে বনাঞ্চলের গাছ জব্দের ঘটনায় সপ্তাহ পরও মামলা হয়নি

প্রকাশ: ২০১৬-১০-১৯ ১১:১৪:২৩ || আপডেট: ২০১৬-১০-১৯ ১১:১৪:২৩

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও:

কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে বনবিভাগের অভিযানে বনাঞ্চলের অর্ধ শতাধিক আকাশমনি গাছ জব্দের ঘটনায় সপ্তাহ পরও মামলা হয়নি। এ নিয়ে সচেতন লোকজনের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

জানা যায়, গত ১১ অক্টোবর রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঈদগাঁও ইউনিয়নের কালিরছড়া বাজারের পাশর্^বর্তী স্থান হতে জনৈক যুবকের নির্মানাধীন পোল্ট্রি ফার্ম থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেহেরঘোনা রেঞ্জ কর্মকর্তা আতা ই ইলাহীর নেতৃত্বে একদল বনকর্মী অর্ধশতাধিক গাছ জব্দ করে। পরে সেখান থেকে উক্ত গাছগুলো মেহেরঘোনা বনবিটে নিয়ে যায়। অপরদিকে এলাকার সচেতন ব্যক্তি শওকত আবছার চৌধুরী গাছ জব্দের ৮দিন পার হলেও এখনো মামলা না হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন।

এ ব্যাপারে রেঞ্জ কর্মকর্তা মামলার প্রস্ততি চলছে বলেও জানান। উল্লেখ্য, উক্ত পোল্ট্রি ফার্মের পাশর্^স্থ কালিরছড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিফতাহুল উলুম মাদ্রাসা, হেফজখানা ও এতিমখানা, মসজিদ, কবরস্থান রয়েছে। যাতে করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ায় চরম অসুবিধার সম্মুখীন হবে। এমনকি মসজিদের মুসল্লী ও কালিরছড়া হয়ে মাছুয়াখালী, চৌফলদন্ডী, নতুন মহাল যাতায়াত সড়কের প্রতিনিয়ত হাজার হাজার লোকজন চলাচলে দুর্গন্ধে বিষিয়ে উঠবে। ফলে যাতায়াতে বিঘœ সৃষ্টি হবে। অন্যদিকে ঐ স্থানে ঐতিহ্যবাহী কবরস্থান রয়েছে। উক্ত কবরস্থানে প্রতিনিয়ত লোকজন তাদের আত্মীয় স্বজনদের কবর জিয়ারত করতে আসে। তারাও নানাভাবে বিড়ম্বনার শিকার হবে। অপরদিকে মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী স্থানে মসজিদ থাকায় পর্যটকসহ দুর পাল্লার যাত্রীরা সেখানে নামাজ আদায় করে থাকে। পোল্ট্রি ফার্মের বর্জ্যরে দূর্গন্ধে তাদের সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন মুসল্লীরা। আবার পোল্ট্রি ফার্মের লাগোয়া ঐতিহ্যবাহী মিফতাহুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, হেফজখানার ছাত্ররা গভীর রাত্রে কোরআন শরীফ পড়তে গিয়ে নানা সমস্যা পড়বেন। সে সাথে ফার্মের দূর্গন্ধের ফলে ছাত্রদের নানা রোগ ব্যাধি হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন সচেতন অভিভাবক মহল। আবার এ পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধের দাবীতে মিফতাহুল উলুম তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শওকত আবছার চৌধুরী ও কালিরছড়া বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির মতওয়াল্লী আবু হাসনাত চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি লিখিত আবেদন দায়ের করে।