ঢাকা, শুক্রবার, ২০ মে ২০২২

ঘের দখল নিয়ে মহেশখালীতে বন্দুক যুদ্ধ॥ আহত ৭॥

প্রকাশ: ২০১৬-১০-১৭ ১৯:৩১:৩৮ || আপডেট: ২০১৬-১০-১৭ ১৯:৩১:৩৮

Songorsho5আবদুর রাজ্জাক,কক্সবাজার:

কক্সবাজারের মহেশখালীতে চিংড়ি ঘের দখল নিয়ে দুই প্রভাবশালী সন্ত্রাসী গ্রুপ গোলাম আযমের দেহরক্ষি আকতার হামিদ/এনাম বাহিনীর সাথে আরেক সন্ত্রাসী ফেরদৌস বাহিনীর মধ্যে তুমুল বন্দুক যুদ্ধে উভয় পক্ষের ৭ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। প্রায় চার ঘন্টাব্যাপী স্থায়ী বন্দুক যুদ্ধে দু’পক্ষের মধ্যে প্রায় তিন শতাধিক রাউন্ড গুলি বর্ষণ হয় বলে স্থানীয়রা জানান। ঘটনাটি ঘটেছে ১৭ অক্টোবর সোমবার সকালে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী এলাকায়।

ঘটনার বিবরণ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, ১৭ অক্টোবর সোমবার সকাল ৮ ঘটিকার সময় উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী এলাকার উমখালী ঘোনা,মাহিত্যা ঘোনা,স্লুইচ গেইট ও হেতালিয়া ঘোনা চিংড়ি ঘেরের কতৃর্ত্ব ও দখল নিতে দুই প্রভাবশালী সন্ত্রাসী গ্রুপ গোলাম আযমের দেহরক্ষি আকতার হামিদ/এনাম বাহিনীর সাথে ফেরদৌস বাহিনীর মধ্যে তুমুল বন্দুক যুদ্ধ শুরু হয়। সকাল ৮ ঘটিকা থেকে দুপুর ১২ ঘটিকা পর্যন্ত চার ঘন্টাব্যাপী স্থায়ী বন্দুক যুদ্ধে দু’পক্ষের মধ্যে প্রায় তিন শতাধিক রাউন্ড গুলি বর্ষণ হয় বলে স্থানীয়রা জানায়। এদিকে বন্দুক যুদ্ধ চলাকালিন সময়ে আকতার হামিদ বাহিনীর সাথে হোয়ানক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মীর কাশেম বাহিনী ও এস.আই পরেশ কারবারি হত্যা মামলার আসামী আযুব/জোনাব আলী বাহিনী যোগ দিলে ফেরদৌস বাহিনীর সদস্যরা র্দূবল হয়ে পিছু হঠে চিংড়ি ঘের থেকে পালিয়ে গেলে আকতার হামিদ বাহিনীর সদস্যরা উক্ত চিংড়ি ঘেরগুলি দখলে নেয়। এই রির্পোট লেখাকালিন সময় (বিকাল ৪ টা ২৫ মিনিট) পর্যন্ত চিংড়ি ঘের গুলি গোলাম আযমের দেহরক্ষি আকতার হামিদ বাহিনীর দখলে রয়েছে। উক্ত বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় উভয় পক্ষের ৭ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে । আহতরা বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামী হওয়ায় গ্রেফতার এড়াতে গোপনে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

এদিকে ঘটনার সংবাদ পেয়ে মহেশখালী থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। বর্তমানে উক্ত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েম করা হয়েছে বলে জানান থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল চন্দ্র বনিক।