ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২

উখিয়ায় ছিদ্দিক চৌকিদারের অত্যচারে এলাকাবাসী অতিষ্ট

প্রকাশ: ২০১৫-১২-২৭ ১৯:১১:১৭ || আপডেট: ২০১৫-১২-২৭ ১৯:১১:১৭

 

এম বশর চৌধুরী, উখিয়া :

উখিয়ার জালিয়া পালং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চৌকিদার আবু ছিদ্দিকের বিরুদ্ধে মহিলাদের যৌনপীড়ন, অপরাধীদের সাথে সখ্যতা, নিরহ লোকজনদের মারধর, মিথ্যা মামলা দায়ের করাইয়া হয়রানী, দাঙ্গা হাঙ্গামার উস্কানী প্রদান সহ অন্তহীন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার এসব অপকর্মের কারনে এলাকার আইন শৃংখলার অবনতি হওয়ায় স্থানীয় মেম্বার হাজী শামশুল আলম সহ এলাকাবাসী গন স্বাক্ষর দিয়ে উক্ত চৌকিদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়ে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে প্রকাশ, জালিয়া পালং ইউনিয়নের ডেইলপাড়া গ্রামের বান্টু মিয়ার ছেলে আবু ছিদ্দিক (২৮) জালিয়া পালং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চৌকিদারের দায়িত্ব পেয়ে ব্যপরোয়া হয়ে উঠে। উক্ত চৌকিদার প্রায় সময় নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে এলাকায় প্রকাশ্য মাতলামী করে এবং যুব সমাজকে নেশার জগতে ধাবিত করে এলাকার যুব সমাজের নৈতিক চরিত্রের অবক্ষয় ঘটাচ্ছেন। এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানান, নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে উক্ত চৌকিদার এলাকার যুবতী মহিলাদের বিভিন্ন ভাবে উত্তাক্ত করে। প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেয়। খোজ নিয়ে জানা যায়, উক্ত চৌকিদার রোকিয়া বেগম (২০), রোজিনা বেগম (২২), মরিয়ম খাতুন (২৭) সহ একাধিক মহিলাকে বিবাহ করে তাহাদের ভরন পোষন না দিয়ে জীবন সর্বশান্ত করে দেয়। গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, উক্ত চৌকিদার ২০১৪ সালের ৭ জানুয়ারী সাগর পথে মালয়েশিয়া মানব পাচার করার সময় মিসবাহ উদ্দিন নামে এক যুবককে হত্যায় সহায়তা করে। এ ঘটনায় উখিয়া থানায় অপমৃত্যু মামলা হলেও কৌশলে পার পেয়ে যায় চৌকিদার আবু ছিদ্দিক। সাবেক মেম্বার মোঃ হোসেন কালু জানান, চৌকিদার আবু ছিদ্দিক প্রায় সময় অপরাধীদের সাথে আড্ডা দিয়ে থাকে। বিভিন্ন মামলার দাগী ও পলাতক আসামীদের সাথে তার গভীর সখ্যতা থাকায় থানা পুলিশ অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে পারে না এবং অভিযানের খবর আগাম অপরাধীদের জানিয়ে দেয়। এদিকে এলাকাবাসী বিতর্কিত চৌকিদার আবু ছিদ্দিক কে অপসারন করে একজন সৎ ও দক্ষ চৌকিদার নিয়োগ দেওয়ার দাবী জানান।