ঢাকা, শনিবার, ২ জুলাই ২০২২

‘মেসি নয়, আমিই সেরা’-রোনালদো

প্রকাশ: ২০১৫-১১-০২ ১৩:৪৯:৪৭ || আপডেট: ২০১৫-১১-০২ ১৩:৪৯:৪৭

99581_ronaldo
স্পোর্টস ডেস্ক |
কোনো রাখঢাক রাখলেন না। প্রকাশ্যেই নিজের ঢোল নিজেই পেটালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কারও নাম গোপন রাখলেন না। লিওনেল মেসির নাম উল্লেখ করেই তার তুলনায় নিজেকে সেরা খেলেয়াড় বলে দাবি করলেন রোনালদো। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্য ‘এল পেইস’-কে গত আগস্টে একটি সাক্ষাৎকার দেন রিয়াল মাদ্রিদের এ পর্তুগিজ উইঙ্গার। একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করার জন্য তার ওই সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। কিন্তু দুই মাসের ব্যবধানে স্পেনের ক্রীড়া পত্রিকা ‘মার্কা’ সে সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ প্রকাশ করেছে। তাতে উঠে এসেছে রোনালদোর এই মতামত। রিয়াল মাদ্রিদের সর্বকালের সর্বাধিক গোলের মালিক বলেন, ‘আমি এতে মোটেও বিব্রত নই। আমার গত আট বছরের নৈপুণ্য দেখেন। আমি সব সময় সেরা খেলাটা উপহার দিয়েছি। আপনি দ্বিতীয় আরেক জনের নাম বলেন, যে আমার মতো এমন নৈপুণ্য দেখাতে পেরেছে? আমি বিশ্বের এক নম্বর, নাকি দুই নম্বর খেলোয়াড় সেটা কোনো বিষয় নয়। এটা নিয়ে বিশদ ব্যাখ্যার দরকার আছে। আপনি বেশি নাকি কম শিরোপা জিতেছেন সেটাও কোনো কথা নয়। ব্যক্তিগত নৈপুণ্য দেখুন। আপনি সম্ভবত বলবেন, আপনার দৃষ্টিতে মেসি সেরা। কিন্তু আমি বলবো-আমিই সেরা, মেসি নয়। আমাদের নিয়ে আপনার মতো অনেকেই হয়তো এমনটা মনে করে। আর অনেকের এমন মনে করার কারণেই আমি আমার ক্যারিয়ারে এতকিছু অর্জন করতে পেরেছি। আমি মন খারাপ করি না।’ সর্বশেষ ৭ বছরে ফিফা ব্যালন ডি’অর জিতেছেন মেসি ও রোনালদো মিলে। বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার মেসি টানা তিনবারের পর সর্বশেষ টানা দুইবার জিতেছেন রোনালদো। মেসির হাতে ফিফা ব্যালন ডি’অর পুরস্কার দেখা রোনালদোর জন্য কষ্টকর বলে তিনি নিজেই জানালেন। বলেন, ‘লিওলেন মেসির ব্যালন ডি’অর পুরস্কার গ্রহণ করতে দেখা আমার জন্য খুবই কষ্টকর। আমি তখন ভাবি, কেন আমি ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে এলাম?’ নিজের এমন রাখঢাকহীন কথা বলার পেছনে যুক্তিও দেখালেন রোনালদো। বলেন, ‘আমি বিশ্বের সবেেচয় বিনয়ী মানুষ নই। আমি এটা স্বীকার করি। তবে তারচেয়ে বেশি সত্য, আমি কপট নই। কিন্তু একটি বিষয়ে আমি খুবই বিনয়ী, সেটা হলো, আমি শিখতে চাই।’ তাকে যারা অপছন্দ করে তাদের জন্য তিনি মন খারাপ করেন না বলে জানালেন রোনালদো। বরং এটা তার সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে বলে জানালেন রোনালদো। বলেন, ‘যারা আমাকে অপছন্দ কিংবা ঘৃণা করে তাদের জন্য আমার মন খারাপ হয় না। কারণ, তাদের কারণেই আমি সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পাই। আমি যখন ভিন্ন মাঠে খেলতে যাই তখন আমাকে অপছন্দ করার অনেক মানুষ পাই। কিন্তু এটার আমার জন্য ভাল। ঘৃণাকারীদের ভেতর থেকেই আপনি ভাল কিছু খুঁজে পাবেন। আমি শত্রু চাই। এটা আমার জীবনের অংশ। আমি যখনই পায়ে বল স্পর্শ করি তখনই তারা চিৎকার করে আমাকে দুয়ো দেয়। সেই ১৮-১৯ বছর বয়স থেকে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছি আমি। এটা আমাকে কোনো সমস্যায় ফেলে না।’